চ্যাম্পিয়নস ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হয় করাচির জাতীয় স্টেডিয়ামে। নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ৩২১ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান শুরুতেই চাপে পড়ে। তবে অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিলের দৃঢ়তায় দলটি ১০০ রানের মাইলফলক অতিক্রম করে।
লক্ষ্য তাড়ায় পাকিস্তানের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। শুরুতেই সৌদ শাকিল ৬ রান করে আউট হলে দলীয় স্কোর দাঁড়ায় ৮ রানে ১ উইকেট। এরপর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে তিনিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি; মাত্র ৩ রান করে গ্লেন ফিলিপসের দুর্দান্ত ক্যাচে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। ফখর জামান ও বাবর আজম মিলে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করলেও ফখর ২৪ রান করে বিদায় নেন। এরপর বাবর আজম ও সালমান আলি আগা মিলে ৫৮ রানের জুটি গড়ে দলকে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেন। সালমান ৪২ রান করে আউট হলে চাপ বাড়ে পাকিস্তানের ওপর। বাবর আজম ৬৪ রান করে বিদায় নিলে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে যায় স্বাগতিকরা। শেষদিকে খুশদিল শাহ ৬৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললেও তা পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। পাকিস্তান ৪৭.২ ওভারে ২৬০ রানে অলআউট হয়, ফলে ৬০ রানে জয় পায় নিউজিল্যান্ড।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ৩২০ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে। উইল ইয়ং ও টম লাথামের জোড়া সেঞ্চুরিতে কিউইরা এই স্কোর দাঁড় করায়। ইয়ং ১০৭ রান ও লাথাম অপরাজিত ১১৮ রান করেন। শেষদিকে গ্লেন ফিলিপসের ৬১ রানের ইনিংস দলকে বড় সংগ্রহে পৌঁছাতে সহায়তা করে।
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে নাসিম শাহ ও হারিস রউফ দুটি করে উইকেট নেন। তবে ব্যাটিং ব্যর্থতায় স্বাগতিকরা ম্যাচে ফিরতে পারেনি। এই পরাজয়ের ফলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শুরুতেই চাপে পড়ল পাকিস্তান দল।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই হারের পর পাকিস্তানকে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। দলের ব্যাটসম্যানদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে এবং বোলারদের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। সমর্থকরা আশা করছেন, পরবর্তী ম্যাচগুলোতে দলটি ভালো পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে টুর্নামেন্টে নিজেদের অবস্থান মজবুত করবে।